ফুলশয্যা এর রাতে ঘরে ঢুকে অনির্বাণ দেখল মেঘলা ঘুমিয়ে কাদা হয়ে আছে। পরণের ভারী বেনারসী আর গয়না ছেড়ে রেখে একটা সুন্দর হালকা পার্পল রঙের পাতলা নাইটি পরে আছে। ঘুমের ঘোরে নাইটি ওর উরু পর্যন্ত উঠে আছে। অনির্বাণ মুগ্ধ চোখে মেঘলার উরু দেখছে। কি মসৃণ ত্বক, যেন মাখনের মতো। নিজের ভেতরে একটা উত্তেজনা টের পেল। একচল্লিশ বছর বয়সে ও যে এইরকম প্রথমবারের মতো উত্তেজনা জগতে পারে। মেঘলাকে দেখে টের পেল অনির্বাণ। ও চায়না মেঘলাকে জোর করে ভোগ করতে। একটা নরম গোলাপের কুঁড়ির মতো ওর যৌবন। রসে টইটম্বুর কিন্তু ও জানে না ওর আকর্ষণ। একটা প্রজাপতির মতো উড়ে উড়ে বেড়ায়।
এটা অনির্বাণের দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথম বৌ অনন্যার সাথে ওর ডিভোর্স না হলেও ওরা আলাদা থাকে। অবশ্য মাঝে মধ্যে যে হোটেলে, অথবা কোনো জায়গায় ঘুরতে গিয়ে গভীর রোমান্টিক মুহূর্ত কাটায় না, এমন নয়। এই তো, গতকালকে কালরাত্রি এর দিনেই একটা হোটেলে অনন্যার নগ্ন শরীরের বহুপাশে বাঁধা ছিল।
(ক্রমশ)
Write a comment ...